ড. তুহিন মালিকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা ‘বাকশাল’ প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মাত্র ১১ মিনিটের মধ্যে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী পাস করে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্ত করা হয় এবং শেখ মুজিবুর রহমান আজীবন রাষ্ট্রপতি হিসেবে নিজেকে ঘোষণা করেন। এতে দেশের নির্বাহী, আইন ও বিচার বিভাগের পূর্ণ ক্ষমতা তার হাতে কেন্দ্রীভূত হয়।
প্রতিবেদনটি জানায়, ওই পরিবর্তনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগসহ সব রাজনৈতিক দল বিলুপ্ত করে ‘বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল)’ নামে একটি মাত্র দল গঠন করা হয়, যার চেয়ারম্যান হন শেখ মুজিবুর রহমান। এতে বাকস্বাধীনতা, সংবাদপত্র ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সীমিত করা হয় এবং কেবল চারটি সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত পত্রিকাকে সাময়িকভাবে প্রকাশের অনুমতি দেওয়া হয়।
প্রতিবেদনটি ২৫ জানুয়ারিকে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধকরণ দিবস ও বাকশাল দিবস হিসেবে উল্লেখ করে, যেদিন শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পূর্ণভাবে কেন্দ্রীভূত হয়।
১৯৭৫ সালে শেখ মুজিবের একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠার ঘটনাকে স্মরণ করেছে প্রতিবেদনটি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চট্টগ্রামের পোলোগ্রাউন্ড মাঠে বিএনপির নির্বাচনি জনসভা রোববার সকালে শুরু হয়েছে। সকাল ১০টায় সভা শুরু হয় এবং সকাল সাড়ে ১১টায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপস্থিত হওয়ার কথা। ভোর থেকেই চট্টগ্রামসহ আশপাশের জেলা থেকে বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ দলে দলে মাঠে আসেন, ফলে পোলোগ্রাউন্ড কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।
বিএনপির সহযোগী সংগঠন যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল ও কৃষক দলের নেতাকর্মীরা শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে পদযাত্রা করে সভাস্থলে পৌঁছান। চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনসহ ১৬টি আসনের বিএনপি প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। বিপুলসংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে ছিলেন এবং নগর বিএনপির নেতারা সার্বিক নির্দেশনা দেন।
মাঠের ভেতরে ও বাইরে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে ছিল। বিভিন্ন সড়কে যান চলাচল সীমিত করা হয় এবং সিআরবি এলাকায় সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়। প্রবেশপথে তল্লাশি চালানো হয় এবং নিরাপত্তা জোনে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়।
জাতীয় নির্বাচনের আগে চট্টগ্রামে বিএনপির জনসভায় বিপুল জনসমাগম ও কঠোর নিরাপত্তা
সৌদি আরব ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে নতুন আইন কার্যকর করেছে, যার মাধ্যমে বিদেশিরা নির্দিষ্ট এলাকায় বাড়ি ও অন্যান্য সম্পত্তি কিনতে পারবেন। এই আইনের আওতায় সৌদিতে বসবাসরত বিদেশিদের পাশাপাশি বিদেশে থাকা ব্যক্তিরাও সম্পত্তি কেনার সুযোগ পাবেন। তবে মক্কা ও মদিনায় বিদেশিদের সম্পত্তি কেনা নিষিদ্ধ থাকবে। সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সৌদির বাইরে থাকা বিদেশিরা কেবল রিয়াদ ও জেদ্দায় সম্পত্তি কিনতে পারবেন এবং অনুমোদিত এলাকার বিস্তারিত মানচিত্র মার্চ মাসে প্রকাশ করা হবে।
সৌদিতে বসবাসরত বিদেশিরা তাদের ইকামা নম্বর ব্যবহার করে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন, আর যারা সৌদির বাইরে আছেন, তাদের নিজ দেশের সৌদি দূতাবাস থেকে ডিজিটাল আইডি সংগ্রহ করতে হবে। সম্পত্তি কেনাবেচায় সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ রিয়েল এস্টেট ট্রানজ্যাকশন ট্যাক্স দিতে হবে। ভুল তথ্য প্রদান বা বেনামে সম্পত্তি কেনার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১ কোটি সৌদি রিয়াল জরিমানা ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের বিধান রাখা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই আইন কার্যকর হলে সৌদি আরবের রিয়েল এস্টেট খাতে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে এবং রিয়াদ ও জেদ্দার নির্দিষ্ট এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রম ত্বরান্বিত হতে পারে।
রিয়াদ ও জেদ্দায় বিদেশিদের সম্পত্তি কেনার সুযোগ দিল সৌদি আরব
বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দ্বৈত কর পরিহার (ডিটিএ) চুক্তি সম্প্রসারণ ও হালনাগাদে তৎপরতা জোরদার করেছে। সংস্থাটি অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি ও আজারবাইজানের সঙ্গে নতুন চুক্তির আলোচনায় নেমেছে, যার মধ্যে অস্ট্রিয়া ও হাঙ্গেরির সঙ্গে দুই দফা এবং আজারবাইজানের সঙ্গে এক দফা আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে। উজবেকিস্তান ও নাইজেরিয়ার সঙ্গেও আলোচনা শুরু করার বিষয়টি বিবেচনাধীন রয়েছে। অন্যদিকে কেনিয়ার সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে থাকলেও জাতীয় নির্বাচনের আগে প্রতিনিধিদের সফরসূচি নির্ধারিত না হওয়ায় স্বাক্ষর বিলম্বিত হয়েছে।
একই সঙ্গে কয়েক দশক আগে স্বাক্ষরিত পুরোনো চুক্তিগুলো আধুনিক ব্যবসায়িক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য আনতে এনবিআর পর্যালোচনা শুরু করেছে। গত ডিসেম্বর মাসে সিঙ্গাপুর ও পাকিস্তানের সঙ্গে প্রথম দফা বৈঠক হয়েছে এবং আগামী জুনে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে আলোচনা শুরু হতে পারে। বর্তমানে বাংলাদেশের ৪৩টি দেশের সঙ্গে দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি রয়েছে, যার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন ও ভারতও রয়েছে।
এনবিআর কর্মকর্তারা জানান, এসব চুক্তি বিনিয়োগকারীদের একই আয়ের ওপর দুই দেশে কর পরিশোধ থেকে সুরক্ষা দেয় এবং পারস্পরিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
বাণিজ্য ও বিনিয়োগে গতি আনতে দ্বৈত কর চুক্তি সম্প্রসারণে এনবিআর
নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে ভারতে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর পর পাকিস্তানকে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের রাজনৈতিক উপদেষ্টা রানা সানাউল্লাহ। জিও নিউজের এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন পাকিস্তানের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থে উপকারী হবে, যদিও এতে পাকিস্তান ক্রিকেট আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।
তিনি বলেন, পাকিস্তানের সমর্থন হওয়া উচিত বাংলাদেশের রাষ্ট্রের প্রতি, কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল বা সরকারের প্রতি নয়। সানাউল্লাহ মনে করেন, ১৯৭১ সালে দুই দেশের মধ্যে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল, বাংলাদেশের প্রতি পাকিস্তানের সমর্থন সেই ব্যবধান কমাতে সাহায্য করতে পারে এবং দুই দেশের সম্পর্ক নতুন এক পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে।
বাংলাদেশ দল না পাঠানোর সিদ্ধান্তের পর আইসিসি তাদের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহসিন নাকভি জানিয়েছেন, পাকিস্তানের অংশগ্রহণের বিষয়ে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, যা প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরার পর ঘোষণা করা হবে।
বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বর্জনের পর পাকিস্তানের সমর্থনের আহ্বান
দেশের সোনার বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে। দাম কমানোর ঘোষণা কার্যকর হওয়ার আগেই মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। নতুন সমন্বয়ে ২২ ক্যারেট সোনার ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে দুই লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। বৃহস্পতিবার রাতে দাম কমিয়ে দুই লাখ ৪৯ হাজার ৩১৮ টাকায় নামানো হলেও শুক্রবার দুপুরে নতুন করে দাম বাড়ানোর ঘোষণা আসে।
বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার মূল্য বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে হঠাৎ দর বাড়ার কারণে এই সমন্বয় করা হয়েছে। আগের বৈঠকের সময় বিশ্ববাজারে দাম নিম্নমুখী থাকলেও পরবর্তীতে পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে বদলে যায়। ব্যবসায়ীরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধাবস্থা এবং ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধির ফলে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনার প্রতি আগ্রহ বেড়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের তথ্যমতে, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ১২ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ৯ বার বেড়েছে এবং ৩ বার কমেছে। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হলে দেশের বাজারে টেকসই স্বস্তি আসার সম্ভাবনা কম।
বিশ্ববাজারের অস্থিরতায় দেশে ভরিতে ২ লাখ ৫৫ হাজার টাকায় পৌঁছাল সোনার দাম
গাজা ও ইরান ইস্যুতে আলোচনা করতে ইসরাইলে গেছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার। তারা ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কা বাড়ার সময় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক নিয়ে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।
ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, মার্কিন সেন্টকম প্রধান ব্র্যাড কুপারও ইসরাইলে পৌঁছেছেন এবং তিনি ইসরাইলের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এই সফরটি এমন সময়ে হচ্ছে যখন ইরান নিয়ে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে জল্পনা চলছে।
ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা, চাপ, অস্থিরতা উসকে দেওয়া এবং শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের প্রচেষ্টার অভিযোগ করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইরান উত্তেজনার মধ্যে গাজা শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে নেতানিয়াহুর সঙ্গে মার্কিন দূতদের বৈঠক
বিশ্বের ১২৬টি শহরের মধ্যে সবচেয়ে দূষিত বায়ুর শহর হিসেবে ঢাকার নাম উঠে এসেছে। রোববার সকাল ৮টায় প্রকাশিত এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (আইকিউএয়ার) প্রতিবেদনে দেখা যায়, ঢাকার বায়ুর মান সূচক ২৮৩, যা ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারতের কলকাতা (স্কোর ২১০), তৃতীয় চীনের হ্যাংজু (১৮৬), চতুর্থ মিশরের কায়রো (১৭৮) এবং পঞ্চম পাকিস্তানের লাহোর (১৭৬)।
আইকিউএয়ার সূচক অনুযায়ী, ০ থেকে ৫০ স্কোর ভালো, ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি, ১০১ থেকে ১৫০ সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর, ১৫১ থেকে ২০০ অস্বাস্থ্যকর, ২০১ থেকে ৩০০ খুবই অস্বাস্থ্যকর এবং ৩০১-এর বেশি হলে তা দুর্যোগপূর্ণ বলে ধরা হয়। ঢাকার বর্তমান ২৮৩ স্কোরের অর্থ শহরটির বায়ু মান অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে।
প্রতিবেদনটি ঢাকার বায়ু দূষণের স্থায়ী সংকটকে তুলে ধরে, যা শহরবাসীর জন্য বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে।
২৮৩ স্কোরে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে ঢাকা
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ঘোষণা করেছে যে, নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ায় তাদের পরিবর্তে স্কটল্যান্ড খেলবে ২০২৬ সালের পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। শনিবার প্রকাশিত আইসিসির বিবৃতিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে বিশ্বজুড়ে সমালোচনা চলছে, বিশেষ করে আইসিসির ভারতপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ বাদ পড়ায় ‘সি’ গ্রুপে স্কটল্যান্ড নতুন প্রতিপক্ষ হিসেবে যুক্ত হয়েছে, যারা ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইতালি, ইংল্যান্ড ও নেপালের বিপক্ষে খেলবে। টুর্নামেন্টটি শুরু হবে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ভারত ও শ্রীলঙ্কায়।
পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার শহীদ আফ্রিদি এবং অস্ট্রেলিয়ার সাবেক তারকা জেসন গিলেস্পি আইসিসির সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন। আফ্রিদি এক্স-এ লিখেছেন, ২০২৫ সালে পাকিস্তানে ভারতের নিরাপত্তা উদ্বেগ মেনে নেওয়া হলেও বাংলাদেশের একই আবেদন আইসিসি প্রত্যাখ্যান করেছে। তিনি সব সদস্য দেশের প্রতি সমান আচরণের আহ্বান জানান। গিলেস্পি প্রশ্ন তুলেছেন, কেন বাংলাদেশকে ভারতের বাইরে খেলতে দেওয়া হলো না এবং আইসিসি এ বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দিয়েছে কি না।
এই সিদ্ধান্ত আইসিসির নিরপেক্ষতা ও সদস্য দেশগুলোর প্রতি আচরণ নিয়ে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।
বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ড, আইসিসির সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ আফ্রিদি ও গিলেস্পির
ভয়াবহ তুষারঝড়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। নিউ মেক্সিকো থেকে নিউ ইংল্যান্ড পর্যন্ত প্রায় ১৮ কোটি মানুষ শীতকালীন ঝড়ের সতর্কতার আওতায় রয়েছে। বিস্তীর্ণ এলাকায় তুষারপাত ও বরফের কারণে প্রায় ১৩ হাজার ফ্লাইট বাতিল হয়েছে এবং এক লাখের বেশি গ্রাহক বিদ্যুদ্বিচ্ছিন্ন হয়েছেন। ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিস শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত দক্ষিণ রকি পর্বতমালা থেকে নিউ ইংল্যান্ড পর্যন্ত ব্যাপক তুষারপাত, শিলাবৃষ্টি ও হিমশীতল বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে।
অন্তত এক ডজন অঙ্গরাজ্যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। সংস্থাটির আবহাওয়াবিদ অ্যালিসন স্যান্টোরেলি জানিয়েছেন, তুষার ও বরফ ধীরে গলবে, ফলে উদ্ধার ও পুনরুদ্ধারের কাজ ব্যাহত হতে পারে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দক্ষিণ ক্যারোলিনা, ভার্জিনিয়া, টেনেসি, জর্জিয়া, উত্তর ক্যারোলিনা, মেরিল্যান্ডসহ ১২টি রাজ্যে ফেডারেল জরুরি দুর্যোগ ঘোষণা অনুমোদন করেছেন।
মার্কিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টি নোয়েম জানিয়েছেন, ফেমা বিভিন্ন রাজ্যে ত্রাণসামগ্রী, কর্মী ও উদ্ধার দল আগে থেকেই মোতায়েন করেছে এবং নাগরিকদের ঘরে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন, কারণ তীব্র শীত কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে।
তুষারঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রে ১৩ হাজার ফ্লাইট বাতিল, একাধিক রাজ্যে জরুরি অবস্থা
যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও গাজার বিভিন্ন এলাকায় ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় দুই শিশুসহ অন্তত তিন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। চিকিৎসা সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে বার্তা সংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, ড্রোন হামলা ও গুলিবর্ষণে আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। হামলাগুলো বেইত লাহিয়া, খান ইউনিস ও জাবালিয়াসহ বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত হয়েছে।
চিকিৎসা সূত্র জানায়, উত্তর গাজার বেইত লাহিয়ার কামাল আদওয়ান হাসপাতালের কাছে ইসরাইলি বোমা হামলায় আল-জাওয়ারা পরিবারের দুই কিশোর—১৪ বছর বয়সি সালমান জাকারিয়া ও ১৫ বছর বয়সি মোহাম্মদ ইউসুফ—নিহত হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী যে এলাকা থেকে ইসরাইলি সেনারা সরে যাওয়ার কথা ছিল, সেই এলাকাতেই ড্রোন হামলাটি ঘটে। দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে আরও একজন ফিলিস্তিনি নিহত হন এবং জাবালিয়ায় কয়েকজন আহত হন।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, গত বছরের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ইসরাইলি হামলায় ৪৮১ জন ফিলিস্তিনি নিহত ও ১,৩১৩ জন আহত হয়েছেন। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত ৭১ হাজার ৬০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।
যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও গাজায় ইসরাইলি হামলায় দুই শিশুসহ তিন ফিলিস্তিনি নিহত
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ও গণভোট সংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, ন্যায়ভিত্তিক, সমতা-পূর্ণ ও মানবিক মর্যাদার সমাজ গঠনে ইমামদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সিলেট নগরীর মেম্দিবাগ ক্রীড়া কমপ্লেক্সে সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন আয়োজিত বিভাগীয় ইমাম সম্মেলনে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।
অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, গত ১৬ বছর বাংলাদেশ এক ব্যক্তির ফ্যাসিবাদী শাসনে অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল এবং সাংবিধানিক কাঠামো ভেঙে পড়েছিল। গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক ঐকমত্যে প্রণীত জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়া ছাড়া বিকল্প নেই। এতে মত প্রকাশের অধিকার সমুন্নত থাকবে।
মনির হায়দার বলেন, একসময় দাড়ি-টুপি পরিহিত আলেমদের জঙ্গি আখ্যা দেওয়া হতো এবং তারা ভয়ভীতিতে চলাফেরা করতেন। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদ চিরতরে নির্মূল করতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী করা সকলের ঈমানি ও নৈতিক দায়িত্ব। সভায় বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী সভাপতিত্ব করেন।
গণভোটে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে ইমামদের ভূমিকার আহ্বান জানালেন আলী রীয়াজ
জুলাই বিপ্লবের প্রথম শহীদ ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলার তৃতীয় দিনের যুক্তিতর্ক আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ এই শুনানি অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে, যেখানে অপর দুই সদস্য হলেন অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। প্রসিকিউশন পক্ষ মামলার যাবতীয় তথ্য, উপাত্ত ও প্রমাণাদি উপস্থাপন করবে।
গত ২২ জানুয়ারি প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম সাক্ষীদের জবানবন্দি, তদন্ত কর্মকর্তার জব্দ করা আলামত ও নথিপত্র ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করেন এবং দাবি করেন যে উপস্থাপিত প্রমাণে আসামিদের সরাসরি সম্পৃক্ততা স্পষ্ট হয়েছে। এরপর আদালত আজকের দিন ধার্য করে যুক্তিতর্কের ধারাবাহিকতা বজায় রাখে।
২১ জানুয়ারি রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে মামলার বর্তমান ধাপ শুরু হয়। প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক শেষে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করবেন।
আবু সাঈদ হত্যা মামলার তৃতীয় দিনের যুক্তিতর্ক আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ অনুষ্ঠিত
সিরিয়ার সামরিক বাহিনী ও কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (এসডিএফ) তাদের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ১৫ দিনের জন্য বাড়িয়েছে। শনিবার গভীর রাতে সিরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, স্থানীয় সময় রাত ১১টা থেকে নতুন সময়সীমা কার্যকর হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো কুর্দি নেতৃত্বাধীন বাহিনীর নিয়ন্ত্রিত আটক কেন্দ্রগুলো থেকে আইএসআইএল বন্দিদের ইরাকে স্থানান্তরে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করা।
এসডিএফ যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, এই চুক্তি উত্তেজনা হ্রাস, বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা এবং স্থিতিশীলতার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করবে। দামেস্ক থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ঘোষণায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি দেখা গেছে।
সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের পতনের পর বর্তমান প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা গত বছরের মার্চ মাসে এসডিএফের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন, যাতে এই গোষ্ঠীটিকে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে একীভূত করা যায়।
সিরিয়া ও এসডিএফের যুদ্ধবিরতি ১৫ দিন বাড়িয়ে আইএসআইএল বন্দি স্থানান্তর সহায়তা
যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপলিসে অভিবাসন কর্মকর্তার গুলিতে এক মার্কিন নাগরিক নিহত হওয়ার পর শহরজুড়ে নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। পুলিশ প্রধান ব্রায়ান ও’হারা জানান, শনিবার গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর ৩৭ বছর বয়সী অ্যালেক্স প্রেট্টি হাসপাতালে মারা যান। তিনি মিনিয়াপলিসের বাসিন্দা এবং একটি হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে নার্স হিসেবে কাজ করতেন। বিক্ষোভকারীরা শহর থেকে ভারী অস্ত্রে সজ্জিত ফেডারেল বাহিনী প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।
অবৈধ অভিবাসনবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে কয়েক সপ্তাহ ধরে মিনিয়াপলিসে ফেডারেল এজেন্ট ও অভিবাসন কর্মকর্তাদের মোতায়েন করা হয়েছে। এর আগে ৭ জানুয়ারি রেনি গুড নামের এক নারী আইসিই কর্মকর্তার গুলিতে নিহত হন, যার পর থেকেই প্রতিদিন বিক্ষোভ চলছে। গত সপ্তাহে আরেক ঘটনায় এক ভেনেজুয়েলান নাগরিক গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন।
ক্রমাগত এসব গুলির ঘটনায় জনঅসন্তোষ আরও বেড়েছে এবং বিক্ষোভকারীরা দায়ীদের বিচারের পাশাপাশি ফেডারেল বাহিনী প্রত্যাহারের দাবি জোরদার করেছেন।
মিনিয়াপলিসে অভিবাসন কর্মকর্তার গুলিতে মার্কিন নাগরিক নিহত, বিক্ষোভ তীব্র
ডিসেম্বরে শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের পর ঢাকার কেন্দ্রে তার জানাজায় লাখো মানুষ অংশ নেয়, যা জাতীয় শোকের এক বিরল দৃশ্য তৈরি করে। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর উদীয়মান এই কণ্ঠস্বরের মৃত্যু এখনো অমীমাংসিত থেকে গেছে এবং তার প্রতি মানুষের আবেগ কমেনি। এই দীর্ঘস্থায়ী প্রতিক্রিয়াই এখন ‘হাদি প্রভাব’ নামে পরিচিত, যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক আবহে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
হাদি মূলধারার রাজনীতির বাইরে থেকে আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক আধিপত্যের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়া ও টেলিভিশনে সরব ছিলেন। তিনি ধর্মনিরপেক্ষ জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে ইসলামী মূল্যবোধভিত্তিক সাংস্কৃতিক পরিচয় প্রচারে কাজ করেন এবং ‘ইনকিলাব সাংস্কৃতিক কেন্দ্র’ প্রতিষ্ঠা করেন। তার ভাষা ও সততা সাধারণ মানুষের কাছে তাকে ঘনিষ্ঠ করে তোলে।
প্রধান কোনো দলের সমর্থন ছাড়াই ঢাকার একটি আসনে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত তাকে দ্রুত জনপ্রিয় করে তোলে। তার হত্যাকাণ্ডের পর বহু মানুষ মনে করছে, তারা এক সৎ ও সাহসী কণ্ঠ হারিয়েছে। এই আবেগ এখনো রাজনীতিতে প্রভাব ফেলছে এবং নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে তা আরও স্পষ্ট হচ্ছে।
হাদির হত্যার পর জনআবেগ বাংলাদেশের রাজনীতি ও সংস্কৃতিতে গভীর প্রভাব ফেলছে
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষে থাকা আর্সেনাল আজ মুখোমুখি হবে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের। টানা দুই ম্যাচ ড্র করার পর মিকেল আর্তেতার দল জয়ের পথে ফিরতে চায়। বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১০টায় শুরু হবে এই হাইভোল্টেজ ম্যাচ। অন্যদিকে, পয়েন্ট টেবিলের পাঁচে থাকা ম্যানইউর অন্তর্বর্তী কোচ মাইকেল ক্যারিকের জন্য এটি বড় পরীক্ষা।
প্রতি মৌসুমেই দুর্দান্ত শুরু করেও মাঝপথে ধারাবাহিকতা হারায় আর্সেনাল, যা তাদের শিরোপা অভিযানে বড় বাধা। চলতি মৌসুমেও লিভারপুল ও নটিংহ্যাম ফরেস্টের বিপক্ষে টানা ড্র তাদের গতি কমিয়েছে। অন্যদিকে, আর্সেনালের বিপক্ষে শেষ ছয় ম্যাচের পাঁচটিতে হেরেছে ইউনাইটেড এবং এমিরেটসে টানা চারটি লিগ ম্যাচে পরাজিত হয়েছে। তবে গত মৌসুমের এফএ কাপে আর্সেনালের মাঠে ১০ জনের দল নিয়েও পেনাল্টি শুটআউটে জয় পেয়েছিল ইউনাইটেড।
আজকের ম্যাচে দেখা যাবে আর্সেনাল হারানো পয়েন্ট উদ্ধার করে শীর্ষে অবস্থান মজবুত করতে পারে কি না, নাকি নতুন কোচের অধীনে ম্যানইউ ঘুরে দাঁড়ায়।
জয়ের খোঁজে আর্সেনাল, নতুন কোচ ক্যারিকের জন্য বড় পরীক্ষা
২০২৬ সালের ২৫ জানুয়ারি প্রকাশিত এম. এম. কায়সারের একটি কলামে ভারতের ক্রিকেট ওয়েবসাইটে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সৈয়দ আশরাফুল হকের মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। হক বলেন, আইসিসির নিরাপত্তা পরিকল্পনা খেলোয়াড়দের সামনে তুলে ধরে তাদের সিদ্ধান্ত নিতে দেওয়া উচিত ছিল এবং একটি ‘প্রশ্নবিদ্ধ এজেন্ডা’র কারণে খেলোয়াড়দের বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন নষ্ট হচ্ছে। লেখক এই বক্তব্যকে আপত্তিকর ও বাস্তবতা-বিচ্ছিন্ন বলে আখ্যা দেন।
কায়সার যুক্তি দেন, ভারতের সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ যৌক্তিক। তিনি উল্লেখ করেন, মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল দল থেকে নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে বাদ দেওয়া হয়েছিল, যা প্রমাণ করে পরিবেশ কতটা অস্থির। লেখক বলেন, আইসিসি ও বিসিসিআই খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তনের দাবি ন্যায্য ও মানবিক।
তিনি উপসংহারে বলেন, এটি কোনো রাজনৈতিক ইস্যু নয়, বরং আত্মসম্মান ও নিরাপত্তার প্রশ্ন। বাংলাদেশ এখন সমান মর্যাদায় বাঁচতে ও খেলতে চায়, নত হয়ে নয়।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভেন্যু ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান সমর্থন, সৈয়দ হকের মন্তব্যে সমালোচনা
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করেছেন, কানাডা যদি চীনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করে, তবে কানাডা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসা সব পণ্যের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। শনিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে তিনি বলেন, কানাডা যদি চীনা পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের “ড্রপ-অফ পোর্ট” হিসেবে কাজ করে, তবে এর পরিণতি হবে ভয়াবহ।
২০২৪ সালে ট্রাম্পের হোয়াইট হাউসে ফেরার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সম্পর্ক টানাপোড়েনের মধ্যে রয়েছে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রনেতৃত্বাধীন বৈশ্বিক ব্যবস্থায় “ভাঙন” তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন। গত সপ্তাহে বেইজিং সফরে তিনি চীনের সঙ্গে “নতুন কৌশলগত অংশীদারত্ব” ও শুল্ক কমানোর লক্ষ্যে একটি প্রাথমিক বাণিজ্য সমঝোতার ঘোষণা দেন। ট্রাম্প এ পদক্ষেপকে বিপজ্জনক বলে সতর্ক করেন এবং কার্নিকে “গভর্নর” বলে সম্বোধন করেন।
কানাডার বাণিজ্যমন্ত্রী ডমিনিক লেব্লাঁ বলেন, চীনের সঙ্গে কোনো মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নয়, বরং এটি কেবল কিছু শুল্কসংক্রান্ত সমস্যার সমাধান। বিশ্লেষকদের মতে, এই উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে দুই দেশের অর্থনীতিতে বড় অনিশ্চয়তা দেখা দিতে পারে।
চীনের সঙ্গে চুক্তি হলে কানাডার পণ্যে ১০০% শুল্কের হুমকি ট্রাম্পের
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানের ছেলে ও সরকারি উপদেষ্টা ইউসুফ পেজেশকিয়ান দেশজুড়ে চলমান ইন্টারনেট বন্ধের অবসান দাবি করেছেন। শনিবার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা প্রকাশিত এক টেলিগ্রাম পোস্টে তিনি সতর্ক করে বলেন, দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ইন্টারনেট বন্ধ রাখলে সরকারের বিরুদ্ধে জনঅসন্তোষ আরও বাড়বে। তার মতে, ইন্টারনেট চালু হলে বিক্ষোভ ফের শুরু হওয়ার ঝুঁকি থাকলেও ইন্টারনেট বন্ধ রাখার ক্ষতি তার চেয়ে বেশি।
৮ জানুয়ারি থেকে ইরানে প্রায় ৯ কোটি মানুষ ইন্টারনেট সংযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন রয়েছেন। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে বহু মানুষ নিহত হয়েছে। নরওয়ে-ভিত্তিক এনজিও ‘ইরান হিউম্যান রাইটস’ জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা ২৫ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে। তবে সরকার জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা ৩ হাজার ১১৭, যার মধ্যে ২ হাজার ৪২৭ জনকে ‘শহীদ’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সরকার বাকি নিহতদের যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের উসকানিতে জড়িত ‘দাঙ্গাবাজ’ বলে অভিহিত করেছে।
ইউসুফ পেজেশকিয়ান বলেন, সহিংস বিক্ষোভের ভিডিও প্রকাশের আশঙ্কায় ইন্টারনেট বন্ধ রাখা হয়েছে, তবে এই যুক্তি তিনি সমালোচনা করেন এবং নিরাপত্তা বাহিনীর ভুলের জবাবদিহির প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।
ইরানে ইন্টারনেট বন্ধে জনঅসন্তোষ বাড়বে, সতর্ক করলেন প্রেসিডেন্টের ছেলে
গত ২৪ ঘন্টায় একনজরে ১৪৬ টি নিউজ শেয়ার হয়েছে। আরো নিউজ দেখতে লগইন করুন। যেকোন সমস্যায় আমাদের ফেসবুক পেজ একনজর-এ যোগাযোগ করুন।